করোনায় হোম কোয়ারেন্টাইন বাড়ছে


দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। বিশ্বজুড়ে এ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশেও ৫ জনের শরীরে ধরা পড়েছে এ ভাইরাস। এ নিয়ে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সারাদেশে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার সংখ্যা বেড়েছে বলে জানা গেছে। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে সারাদেশে ২ হাজার ৩১৪ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন বলে। তাদের প্রায় সবাই বিদেশ ফেরত। গতকাল রবিবার রাজধানীর মহাখালীর আইইডিসিআর-এর কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান।

তিনি আরও জানান, ২৪ ঘণ্টায় ২০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সর্বমোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৩১ জনের। দেশে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন মোট ২৩১৪ জন। তবে আইইডিসিআর থেকে নির্দিষ্ট কোনো তালিকা দেয়া হয়নি।
বাংলাদেশের ১৩ জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন মোট ৭৬৩ জন। বগুড়ায় নতুন করে বিদেশ ফেরত আরও ১১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ইতালি থেকে আরও ১৫৫ জন যাত্রী নিয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ঢাকায় অবতরণ করেছে। তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দেয়া হচ্ছে।
ইতালি থেকে আরও ১৫৫ জন যাত্রী নিয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ঢাকায় অবতরণ করেছে। গতকাল রবিবার ভোরে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে- ৫৮২ নম্বর ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সূত্র জানায়, তারা এখনও বিমানবন্দরেই আছেন। তাদের স্ক্রিনিং করা হবে। স্ক্রিনিং শেষে তাদের আশকোনা হজ ক্যাম্পে নেয়া হতে পারে।
সূত্র আরও জানায়, তাদের জন্য পুবাইলে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেখানেও নেয়া হতে পারে। সেখানে তাদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখার কথা রয়েছে।
বিমানবন্দরের ৮ নম্ব^র হ্যাঙ্গার গেট দিয়ে তাদের বের করা হবে। এর আগে শনিবার মধ্যরাতে কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিমানে ইতালি থেকে কাতার হয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন আরও ৫৮ বাংলাদেশি।
ঢাকায় নামার পর এদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পরে বিআরটিসি পরিবহনের দুটি বিশেষ বাসে তাদের গাজীপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন তারা। গত শনিবার সকালে এমিরেটসের ফ্লাইটে ইতালি থেকে দেশে ফিরেছেন ১৪২ জন। সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর তাদের আশকোনায় হজ ক্যাম্পে নেয়া হয়েছিল। তবে প্রায় ১১ ঘণ্টা পর রাতে হোম কোয়ারেন্টাইনের জন্য বাড়িতে পাঠানো হয়। খবর নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশের ১৩ জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন মোট ৭৬৩ জন।
মানিকগঞ্জ : মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলায় ছয়দিনে বিদেশ ফেরত ২২৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তবে করোনার লক্ষণ না থাকায় ২১ জনকে ছেড়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল আমিন আখন্দ বলেন, সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা সদর হাসপাতালে পুরুষ ১২ জন ও নারী ৫ জনের জন্য মোট ১৭ বেডের আইসোলেশন ইউনিট তৈরি রাখা হয়েছে এবং প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১০০ শয্যার কোয়ারেন্টাইন ইউনিট।
কিশোরগঞ্জ : করোনা ভাইরাস সন্দেহে কিশোরগঞ্জে ৯৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এরা সবাই জেলার ভৈরব উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।  কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মুজিবুর রহমান জানান, হোম কোয়ারেন্টাইন থাকা ইতালিসহ অন্যান্য দেশ থেকে আগত এই প্রবাসীরা নিজ নিজ বাড়িতে আছেন। সেখানে তাদের নির্দিষ্ট কক্ষে ১৪ দিন পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে। ইতিমধ্যে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইন সময় শেষ হওয়ায় ২০ জন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে গেছেন। ভোলা : ভোলায় ইতালি ফেরত দুই যুবককে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভোলার সিভিল ডা. রতন কুমার ঢালী।
তিনি জানান, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে রবিবার একজন ও শনিবার (১৪ মার্চ) একজনসহ মোট দুই জনকে তাদের নিজ বাড়িতেই রাখা হয়েছে। তবে তারা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। কিন্তু সার্বিক দিক বিবেচনা করে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ১৪ দিন তাদের সেখানে থাকতে হবে।
পাথরঘাটা (বরগুনা) : বরগুনার পাথরঘাটায় লেবানন থেকে আসা এক প্রবাসী ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। গতকাল রবিবার সকাল থেকে তাকে ১৪ দিনের জন্য পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের দুইজন স্বাস্থ্য সহকারীকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির জন্য তার বাড়িতে নিয়োজিত রাখা হয়েছে বলে জানান বরগুনার সিভিল সার্জন কার্যালয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও কসবায় উপজেলায় সৌদি প্রবাসী ফেরত দুইজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তারা দুইজনই পুরুষ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. শাহ আলম বলেন, তিন দিন আগে সৌদি আরব থেকে আসা দুই প্রবাসীকে আমাদের মেডিকেল টিমের মাধ্যমে বুঝিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তবে তাদের কারো মধ্যেই করোনা ভাইরাসের লক্ষণ বা উপসর্গ নেই, তারা সুস্থ আছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৯০ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এছাড়া সোনামসজিদ স্থলবন্দরসহ অন্য বন্দর দিয়ে আসা সব পাসপোর্টধারী বিদেশ ফেরতদের স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। সেসঙ্গে বিদেশ ফেরতদের সবার পূর্ণাঙ্গ নাম-পরিচয় সংরক্ষণ করা হচ্ছে।  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, করোনা প্রতিরোধে সোনামসজিদ বন্দর ব্যবহারকারী সবাইকে ভালভাবে চেকআপ করছে তিন সদস্যের একটি মেডিকেল দল। সদর হাসপাতালে চারটি ও পাঁচ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে দুইটি করে ১০টি আইসোলেশন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুর পর্যন্ত ৩২ জন ভারতীয় নাগরিকসহ ১৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
মাদারীপুর : মাদারীপুরে বিদেশ থেকে বাড়িতে আসা এবং করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা ১৭৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, এ পর্যন্ত জেলার চারটি উপজেলার ১৭৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এদের বেশিরভাগই প্রবাসী ও তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি।
জামালপুর : জামালপুরে বিদেশ ফেরত চারজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। জামালপুরের সিভিল সার্জন গৌতম রায় জানান, জামালপুর সদরে একজন, দেওয়ানগঞ্জে দুইজন ও মেলান্দহে একজন। তাদের নিজ বাড়িতে গভীর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জে করোনা সন্দেহে বিদেশ ফেরত পাঁচজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এছাড়াও চীন ফেরত আরও তিনজনের বাড়িতে মেডিকেল টিম পাঠানো হয়েছে। সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, জেলার বেলকুচি উপজেলায় চারজন ও রায়গঞ্জে একজন প্রবাসী এসেছে। আমরা লক্ষণ ছাড়াই ১৪ দিন তাদের পর্যবেক্ষণে রাখবো। এছাড়াও উল্লাপাড়ায় চীন ফেরত আরও তিন প্রবাসী আসার খবর আমরা পেয়েছি। সেখানে মেডিকেল টিম পাঠানো হয়েছে।
জয়পুরহাট : জয়পুরহাটে বিদেশ ফেরত চারজনকে হোম কেয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. সেলিম মিঞা বলেন, জেলায় এ পর্যন্ত বিদেশ থেকে আসা চার ব্যক্তিকে হোম কেয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। যদি কেউ বিদেশ থেকে দেশে আসেন তাহলে তাকে সিভিল সার্জন অফিসে রিপোর্ট করার সরকারি নির্দেশনা রয়েছে।
বাগেরহাট : করোনা ভাইরাস সন্দেহে বাগেরহাটের শরণখোলায় বিদেশ ফেরত আব্দুল আউয়াল হাওলাদার (৬৪) নামে এক বৃদ্ধকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে তাকে আইসোলেশন ইউনিটে নেয় কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, করোনা আতঙ্কে মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া গ্রামের আনোয়ার হাওলাদারের ছেলে মহারাজ হাওলাদারকে (৩২) নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ১৩ মার্চ রাতে ভারত থেকে বেনাপোল স্থল বন্দর হয়ে মোরেলগঞ্জ নিজ বাড়িতে আসেন মহারাজ হাওলাদার। পরে স্থানীয়দের চাপে মহারাজকে হাসপাতালে পাঠান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু। হাসাপাতালে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি।
নরসিংদী : করোনা সন্দেহে নরসিংদীতে ১৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এরমধ্যে নরসিংদী সদরে তিনজন, পলাশ উপজেলায় তিনজন, শিবপুর উপজেলায় তিনজন, মনোহরদী উপজেলায় দুইজন ও রায়পুরা উপজেলায় চারজন। এরা সবাই ইতালি, সৌদিআরব, দক্ষিণ কোরিয়া ও দুবাই ফেরত। তারা বিগত ১০ দিনের মধ্যে দেশে এসেছেন।
জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বলেন, নরসিংদীতে এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। যারাই বিদেশ থেকে দেশে আসছেন তাদের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুই সপ্তাহের জন্য হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। তবে যারা থাকতে অপারগতা দেখাবে তাদের আইনের আওতায় এনে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনতে বাধ্য করা হবে।  সিভিল সার্জন অফিস জানায়, গতকাল রবিবার সকাল পর্যন্ত ১৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
পাবনা : পাবনায় করোনা ভাইরাস সন্দেহে বিদেশ ফেরত ১০ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এই প্রবাসীরা চলতি দুই সপ্তাহের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন থেকে দেশে এসেছেন।  গতকাল রবিবার দুপুরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সেমিনার কক্ষে হাসাপাতালের সার্বিক উন্নয়ন ও করোনা বিষয়ক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পাবনা সদর-৫ আসনের সংসদ গোলাম ফারুক প্রিন্সের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কবির মাহামুদ, পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল, হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবুল হোসেন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. জাহেদী হাসান রুমী, বিএমএর সাধারণ সম্পাদক ডা. আলমাক প্রমুখ।
বগুড়ায় নতুন করে বিদেশ ফেরত আরও ১১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে গত ১১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত জেলায় মোট ২০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হল। গত শনিবার জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কর্মকর্তারা জানান, জেলায় নন্দীগ্রাম উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আট জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেন মন্ডল জানান, শনিবার উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে নতুন করে ছয় জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। এর আগে গত ১২ মার্চ সৌদি আরব থেকে ওমরা হজ করে আসা এক দম্পতিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়।

বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. সামির হোসেন মিশু জানান, বগুড়া সদর ও সোনাতলা উপজেলায় মোট পাঁচজন করে ১০ জন এবং ধুনট ও সারিয়াকান্দিতে একজন করে দুজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত ১১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত জেলায় মোট ২০ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এর আগে ১৩ মার্চ পর্যন্ত জেলায় মোট নয় জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়।

Post a Comment

[blogger][disqus][facebook][spotim]

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget