Latest Post


নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ায় কর্মহীন দোকান কর্মচারীদের অধিকাংশই মার্চ মাসের বেতন না পাওয়ায় সংসার চালাচ্ছেন ধার দেনা করে। করোনা ভাইরাসের কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে বগুড়ায় বড় বড় মার্কেটের পাশাপাশি ছোট দোকানগুলো সরকারি নির্দেশে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেকার হয়ে পড়েছেন অন্তত ১ লাখ দোকান ও বাণিজ্যিক কর্মচারী। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানান, এসব সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
বগুড়া সদর উপজেলা দোকান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শ্রী রতন রায় জানান, গত ২৬ মার্চ এর পর থেকে বগুড়ার ১২টি উপজেলায় বেকার হয়ে আছেন দোকান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করা প্রায় ১ লাখ কর্মচারী। এদের একটি বড় অংশই সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার টাকা নেন বেতনের অংশ হিসেবে। গত তিন সপ্তাহ ধরে এ শ্রেণীর শ্রমিকদের অধিকাংশই সংসার চালিয়েছেন জমানো টাকায়। এখন তাদের হাতে আর টাকা নেই চলতে হচ্ছে ধার দেনা করে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের জন্য চলতি মাস (এপ্রিল মাস) বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

করোনার দিনগুলোতে কেমন আছেন?
এটা তো বৈশ্বিক মহামারি। অন্য সবার মতো আমারও এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করছে। আমাদের এই বয়সের লোকের জন্য তো একটু উদ্বেগ থাকেই যে, কী হয় বা কী হচ্ছে! আমি ঘরেই আছি। গত ১৮ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ঘর থেকে বের হইনি। এর আগে গত ১৫ মার্চ শুটিং ছিল। তারপর ২১ মার্চও শুটিংয়ের কাজ ছিল। কিন্তু এই কাজটা করোনার কারণে স্থগিত আছে, করা হয়নি। এখন ১৮ মার্চ থেকে রুমেই আছি। লেখালেখি করি, বই পড়ি, সিনেমা দেখি। ঘরেই হাঁটাহাঁটি করি।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget